✅ 🔴 নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

214
Published on January 4, 2019 by

💡 সিইসির হাতে ‘ভোট জালিয়াতি’র প্রমাণ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|

বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা এরই মধ্যে এ নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। তাই শপথ নেয়ার প্রশ্নই আসে না। ফলাফল বাতিল করে আমরা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি করেছি। তফসিল ঘোষণা থেকে শুরু করে যেসব অনিয়ম হয়েছে এবং জনগণের সঙ্গে যেভাবে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা করা হয়েছে, সেটাও আমরা তুলে ধরেছি। বিশেষ করে নির্বাচনের আগের রাতেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সহায়তায় আওয়ামী লীগ কর্মীরা ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট ব্যালট বাক্সে ভর্তি করে রেখেছিল। অবশিষ্ট ব্যালট পেপারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় জাল ভোটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়।

এ সময় ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য ভোটারদের গায়েবি মামলায় গ্রেফতারের হুমকিও দেয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন ঐক্যফ্রন্টের এ মুখপাত্র। তিনি বলেন, ধানের শীষে ভোট দিতে পারে, এমন ভোটারদের তালিকা তৈরি করেছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই তালিকা ধরে ভোটের আগের রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেন্দ্রে যেতে মানা করা হয়। নির্দেশনা অমান্য করলে গায়েবি মামলায় ভোটারদের গ্রেফতারের হুমকিও দেয়া হয়।

প্রকাশ্যে নৌকায় সিল দিতে বাধ্য করা হয়েছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু ভোটার কেন্দ্রে গেলেও তাদের প্রকাশ্যে নৌকায় সিল দিতে বাধ্য করা হয়। প্রায় সব ভোটকেন্দ্রেই দুপুরের মধ্যে ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যায়। ব্যালট পেপার না থাকায় ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেয়াসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়। দুপুরের দিকে আসা ভোটারদের ব্যালট দিতে না পারার কারণে বেআইনিভাবে বিরতির নামে কালক্ষেপণ করা হয় এবং ভোটকেন্দ্রের মূল ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়।

স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় নির্বাচনের আগের রাত ১টার মধ্যে সব দোকানপাট বন্ধ করে সারা দেশে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি করা হয়। নির্বাচনের আগের রাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার সহায়তায় আওয়ামী কর্মীরা ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট ফেলে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে। নির্বাচনের দিন সকালে ভোটকেন্দ্র ও কেন্দ্রের আশপাশের মোড়ে লাঠিয়াল বাহিনী মহড়া দেয় এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়। এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বস্তরের সদস্যদের কাছে সহযোগিতা চাইলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি। অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের ভোট না দিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়।

শতভাগ ভোটগ্রহণের ঘটনাটি নজিরবিহীন উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, অসংখ্য ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোট সংগ্রহ করা হয়, যা ছিল নজিরবিহীন এবং বাস্তবে একেবারেই অসম্ভব। বিদেশী পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেখানোর জন্য ঢাকাসহ অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় লোকজন এনে জড়ো করে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারও নয়।

স্মারকলিপি জমা দেয়ার পর মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনের নামে জাতির সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে। দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

যেখানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন সেখানে কারচুপি হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সেগুলোতেও ডাকাতি হয়েছে, তবে তারা কুলিয়ে উঠতে পারেনি।’

তিনি জানান, ‘সরকার ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) মিলে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছে। প্রার্থীরা নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জানিয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করবে।’

✅ PLEASE SUBSCRIBE
https://www.youtube.com/bdtopten
🔔DON’T FORGET TO CLICK THE BELL ICON🔔

✅ BDTOPTEN Tube:
https://www.tube.bdtopten.com/author/bdtopten/

Follow us on Linkedin:
https://www.linkedin.com/company/bdtopten/

Follow us on Twitter:

Like us on Facebook:
https://fb.com/bdtop10

Join us on Facebook:
https://fb.com/groups/bdtopten

✅ Web: https://www.bdtopten.com

#bnp #bnpnews #okkofront

Category Tag

Add your comment

Your email address will not be published.